রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

মুক্তি পেলেন কেজরিওয়াল ও মমতা

মুক্তি পেলেন কেজরিওয়াল ও মমতা

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। 

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে মমতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার সঙ্গে আটক বাকি তৃণমূল নেতাদেরও ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কেজরিয়ালকেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জাফরপুর কালান পুলিশ স্টেশন থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি নিজের এক্স-এ পোস্ট দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন।

এর আগে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী নয়াদিল্লি অবরুদ্ধ করা হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঠেকাতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, দিল্লিতে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং ককরোচ পার্টির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাসহ ৫ হাজার জনকে আটক করা হয়। শনিবার দিনভর তাদের আটক করা হয়। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

আন্দোলন ঠেকাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার কঠোর অবস্থান নেয়। তারা দিল্লিগামী ট্রেন, দিল্লির মেট্রো এবং বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। দিল্লি পুলিশের লক্ষ্য ছিল যন্তর মন্তরে যেন কেউ কোনোভাবে অবস্থান না নিতে পারে।

বিবিসি জানিয়েছে, যন্তর মন্তরে পুলিশ কর্মকর্তারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, মাথার উপর ড্রোন উড়ছে এবং জায়গায় জায়গায় ভারী লোহার ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। সেখানে কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। দিল্লির সমস্ত দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া কিছু সাংবাদিককেও আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিবিসির সাংবাদিক। সাধারণ বিক্ষোভকারীদের ওপরও ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। যার মধ্যে ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ শীর্ষ নেতারা রয়েছেন।

জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে। তিনি জার্মানি থেকে এই আন্দোলনে যোগ দিতে ভারতে আসেন। ভারতের নির্বাচন কমিশনার বিভিন্ন রাজ্যে কয়েক কোটি ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। এর প্রতিবাদে আজকে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল তারা।

ঠিকানা/এনআই

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz